মোটরবাইক রপ্তানিতে বড় প্রস্তুতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের

1
baniktube.com

 

নিউজ ডেস্কঃ দেশের অভ্যন্তরে মোটরবাইক উৎপাদনরপ্তানী বাড়াতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে উদ্যোক্তারা। অবশ্য এজন্য সিসি সীমাবদ্ধতা দূর করে নীতি সহায়তাও চাই তাদের। দেশীয় মোটর বাইক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রানারের কারখানায় দেখা যায় করোনার চাপ কাটিয়ে আবারো পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

 

নান্দনিক রঙ আর ডিজাইনের হাজারো মোটর বাইক সাজিয়ে রাখা হয়েছে বাজারে ছাড়ার অপেক্ষায়। ময়মনসিংয়ের ভালুকার রানার কারখানার চিত্র এটি। আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে এখন বাংলাদেশেই তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন দামের মোটরবাইক।

 

অবশ্য কাজটি মোটেই সহজসাধ্য নয়, কারখানা ঘুরে দেখা যায় পূনাঙ্গ মোটরবাইক দেখতে যত সুন্দর ততই কঠিন তৈরীর প্রক্রিয়াটি। কয়েকটি ধাপে তৈরি হচ্ছে মোটর সাইকেলের যন্ত্রাংশ। শ্রমিকদের তীক্ষ্ণ চাহনি আর দক্ষ হাতের স্পর্শে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয় মোটরবাইক।

 

নেপালসহ কয়েকটি দেশে বাংলাদেশের মোটরবাইক রপ্তানী হচ্ছে নিয়মিত। দেশে বিক্রির জন্য তৈরী হচ্ছে ১৬৫ সিসি পর্যন্ত এবং রপ্তানীর জন্য তৈরী হচ্ছে ২০০ সিসি পর্যন্ত মোটরবাইক।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন থেকে যেসব উৎপাদনকারীরা সরে আসবে তাদের কারখানা বাংলাদেশে নিয়ে আসতে প্রচেষ্টা চালাতে হবে সরকারকে। দেশের সস্তা শ্রম ব্যবহার করে যাতে মোটরবাইক উৎপাদন বাড়ানো যায় সেই দিকেও নজর দিতে হবে।

 

পাশ্ববর্তী দেশ ভারতও আশির দশকে নিজ দেশে উৎপাদনে ব্যাপক জোর দেয়। প্রায় ৪০ বছরের প্রচেষ্টায় তারা এখন বড় রপ্তানীকারক। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতেও চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। বর্তমানে নেপাল ও দক্ষিন আফ্রিকায় রপ্তানী করছে মোটরবাইক।