১৭০ ক্যারেটের দুষ্প্রাপ্য পিঙ্ক ডায়মন্ড

1
baniktube.com

 

নিউজ ডেস্ক : বিরল গোলাপি হীরার (Pink Diamond) সন্ধান মিলেছে মধ্য আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায়। বিশ্বে ৩শ’ বছরের মধ্যে উত্তোলিত সবচেয়ে বড় হীরকখণ্ড এটি। বুধবার অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক হীরা উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান লুকাপা ডায়ামন্ড কোম্পানি জানিয়েছে এ তথ্য। দুষ্প্রাপ্য হীরাটির নাম দেয়া হয়েছে ‘দ্য লুলো রোজ’।

 

এ্যাংগুলা-তে মিলেছে এই বানিজ্যিক অসাধারন গোলাপী হীরার সন্ধান। খনির অষ্ট্রেলিয়া ভিত্তিক লুকাপা ডায়ামন্ড কোম্পানী’র মালিক একজন অষ্ট্রেলিয়ান। একশ ক্যারেটের বেশী এপর্যন্ত সাতাশটি হীরা পাওয়া গেছেে এ খনিতে।

 

একটি গোলাপী হীরা হল এক ধরনের হীরা যার রঙ হালকা গোলাপী থেকে গভীর গোলাপ পর্যন্ত। এগুলি খুব বিরল এবং সাধারণত উচ্চ মূল্যের বিক্রি হয়ে থাকে। সবচেয়ে বিখ্যাত গোলাপী হীরা হল হোপ ডায়মন্ড, যেটি ১৬৬৮ সালে ভারতে আবিষ্কৃত হয়েছিল। এটি এখন ওয়াশিংটন ডিসি-র স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউশনে প্রদর্শিত হচ্ছে।

 

হোপ ডায়মন্ড ১৬৪২ সালে ভারতে আবিষ্কৃত হয়েছিল এবং এটি মূলত নীল রঙের ছিল। ১৭৯২ সালে, পিয়েরে-সাইমন ল্যাপ্লেস দ্বারা এটির বর্তমান আকৃতি এবং আকার কাটা হয়েছিল, যিনি এটির নাম “দ্য হোপ” দিয়েছিলেন। ১৮৩৯ সালে, ফরাসি জুয়েলারি জিন ব্যাপটিস্ট ট্যাভার্নিয়ার ফ্রান্সের রাজা লুই চতুর্দশের কাছে হীরাটি বিক্রি করেছিলেন।

 

এটি ১৮৩০ সাল পর্যন্ত ফরাসী রাজপরিবারে ছিল যখন এটি হেনরি ফিলিপ হোপের কাছে £135,000 (আজকের প্রায় $8 মিলিয়নের সমতুল্য) বিক্রি হয়েছিল। হোপ ডায়মন্ড ১৯৫৮ সালে স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়ামে দান করার আগে অন্যান্য মালিকদের মধ্য দিয়ে যায়।

 

গোলাপী হীরা বিরল এবং মূল্যবান কারণ সেগুলি প্রায়শই পাওয়া যায় না এবং তাদের গোলাপী রঙ অর্জন করতে অবশ্যই তাপ দিয়ে পরিবর্তিত করা উচিত। তাদের আকার এবং মানের উপর নির্ভর করে লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ হতে পারে।